কল করুন

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স

বাংলাদেশের স্বপ্নযাত্রা কাল

[আপডেট: বাংলাদেশ প্রতিদিন, ০২ মার্চ, ২০২৬]

বাংলাদেশের স্বপ্নযাত্রা কাল

এশিয়ান ফুটবলে মেয়েদের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই শুরু হয়েছে গতকাল। অস্ট্রেলিয়ার পার্থ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে উদ্বোধনী ম্যাচ। স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার জয়ে শুরু হয়েছে এ লড়াই। গতকাল বিকালে অস্ট্রেলিয়ার মেয়েরা ১-০ গোলে হারিয়েছে ফিলিপাইনকে। ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্যাম কর ম্যাচের ১৪তম মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন।

 

 

এ জয়ে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া ফেবারিট হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করল। এএফসি এশিয়ান কাপে প্রায়ই ফাইনাল খেলে অস্ট্রেলিয়ার মেয়েরা। ২০১০ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত টানা তিন আসরে ফাইনাল খেলেছে তারা। ২০১০ সালে চীনের মাটিতে চ্যাম্পিয়ন হয় তারা। পরের দুবার রানার্সআপ হয় জাপানের কাছে হেরে। গতবার ভারতের মাটিতে কোয়ার্টার ফাইনালেই শেষ হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার মেয়েদের যাত্রা। এবার নিজেদের মাটিতে শিরোপা জয় করতে চায় দলটি।

 

 

এদিকে আজ এএফসি নারী এশিয়ান কাপে মুখোমুখি হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া ও ইরান। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চলছে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের। এ যুদ্ধের প্রভাব নিশ্চয়ই আজকের ম্যাচেও পড়বে! ইরানি মেয়েরা নিজ দেশে চলমান যুদ্ধের দুশ্চিন্তা থেকে কতটা মুক্ত হয়ে খেলতে পারবেন আজ? বাংলাদেশের মেয়েরা গত ২০ ফেব্রুয়ারি অস্ট্রেলিয়া পৌঁছেছে এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্ব খেলতে। এরপর থেকেই নিয়মিত অনুশীলন করছেন আফঈদা খন্দকাররা। গতকালও অনুশীলনে নেমেছে পিটার বাটলারের দল।

 

 

কাল চীনের বিপক্ষে খেলতে নামবে বাংলাদেশের মেয়েরা। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন চীনা মেয়েরা এ টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ নয়বারের চ্যাম্পিয়ন। কঠিন প্রতিপক্ষের সঙ্গে খেলতে নামার আগে ট্যাকটিক্যাল বিষয়গুলো চূড়ান্ত করেছেন কোচ। দুটি একাদশ সাজিয়ে ম্যাচ টাইম দিয়েছেন ফুটবলারদের। গতকাল অনুশীলনের সময় গোলরক্ষক কোচ মাসুদ আহমেদ উজ্জল শিষ্যদের নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সারা বছর যে অনুশীলন করেছি, তা যদি ঠিক করে করতে পারি, তবে গোল হজম করতে হবে না আশা করি।

 

 

প্রতিপক্ষ বড়। তবে আমরা নিজেদের খেলাতেই ফোকাস করছি।’ চীনের বিপক্ষেও ভালো করবেন গোলরক্ষকরা, এমনটাই আশা করেন মাসুদ। চীনের বিপক্ষে নির্ভার হয়ে খেলবে মেয়েরা। এমনটাই বলছেন এ গোলরক্ষক কোচ। তিনি বলেন, ‘আমি মেয়েদের মধ্যে ইতিবাচক মানসিকতাই দেখছি। এ স্টেজে এসে আরও বেশি করে শেখার আগ্রহ বেড়েছে ওদের মধ্যে।’