চতুর্থ শিল্পবিপ্লব ও নারীর ক্ষমতায়ন
ফারহানা মিলি । সূত্র : দেশ রূপান্তর, ০৮ মার্চ ২০২৫

আন্তর্জাতিক নারী দিবস আজ। এটি এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যার মাধ্যমে নারীর রোজকার জীবনের যন্ত্রণার অনুষঙ্গগুলো আলোচনায় উঠে আসে। মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় তার সংগ্রাম ও অধিকার নিশ্চিতের লড়াইগুলো প্রাধান্য পায় বৈশ্বিক গণমাধ্যম এবং নানা দেশের নীতিনির্ধারকদের এজেন্ডায়। এ দিনটিতেই নারীর জন্য নিরাপদ ও পক্ষপাতমুক্ত এক বিশ্ব গড়ে তুলতে ফের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয় রাষ্ট্রগুলো।
‘নারী দিবস’ সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নারীর অবদানের কথাও স্মরণ করিয়ে দেয়। এবারের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য ‘For All Women and Girls : Equality. Rights. Empowerment’-কে বাংলায় বলা যায় ‘সব নারী-শিশুর জন্য : সমতা, অধিকার, ক্ষমতায়ন’। এবারের দিবসটিতে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য তরুণ প্রজন্মের নারীদের নেতৃত্ব ও সৃজনশীলতার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। নারী দিবসের শেকড় প্রোথিত রয়েছে বিশ শতকের শুরুতে। পশ্চিমের দেশগুলোতে উনিশ শতকেই নারীরা শিল্প শ্রমিক হিসেবে ব্যাপক হারে কাজ শুরু করেন। বিশেষ করে বিকাশমান পোশাক শিল্পে নারীর চাহিদা ছিল বেশি। শিল্প বিপ্লবের তীব্র গতির সেই সময়ে অত্যন্ত রূঢ় কর্মপরিবেশের সঙ্গে নারীদের খাপ খাইয়ে চলতে হতো। যা তাদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ও পারিবারিক-সামাজিক জীবনের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলত।
এই প্রেক্ষিতে ১৯০৮ সালের ৮ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নারী গার্মেন্টস শ্রমিকরা যথাযোগ্য মজুরি, কর্ম ঘণ্টা হ্রাস ও ভোটাধিকারের দাবিতে সমবেত হন। ১৯১০ সালে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে আয়োজিত হয় শ্রমিক নারীদের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন। এতে ১৭টি দেশের ১০০ জনের বেশি নারী অংশ নেন। জার্মানির সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রধান ক্লারা জেকিন সেখানে নারীদের জন্য একটি আন্তর্জাতিক দিবস পালনের প্রস্তাব দিলে সেটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। ফলে পরের বছরের মার্চে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ জুড়ে নারী আন্দোলন কর্মীদের অভূতপূর্ব সমাবেশে অংশ নেন দশ লাখের বেশি মানুষ। এই ঢেউ ঔপনিবেশিক ভারতকেও তখন আলোড়িত করে। ১৯১৪ সালের মার্চে পুনেতে নারীরা প্রথম নারী দিবস পালন করেন। বিশ শতকের প্রথমার্ধে উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের পেছনেও রয়েছে নারীদের এসব জমায়েতের ভূমিকা। পরের কয়েক দশকে বিশ্ব জুড়ে নারীর ক্ষমতায়নের দাবি জোরালো হলে জাতিসংঘ ১৯৭৫ সালে ৮ মার্চকে নারী দিবস ঘোষণা করে।
লিঙ্গ-সমতা ও নারীর ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করার ক্ষেত্রে ২০২৫ সাল অনন্য একটি অর্জনের মুখোমুখি। এ বছরের জুনে ‘বেইজিং ডিক্লারেশন অ্যান্ড প্ল্যাটফর্ম ফর অ্যাকশন’-এর ত্রিশ বছর পূর্তি হতে যাচ্ছে। ১৯৯৫ সালে বেইজিংয়ে আয়োজিত চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলনে গৃহীত এই ডিক্লারেশন নারীর অধিকার আন্দোলনগুলোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এটির আলোকে দেশে দেশে নারীর আইনি সুরক্ষার বিষয়গুলো নিশ্চিতে রাষ্ট্রগুলোকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। নারীকে জরুরি বিভিন্ন সেবা পাওয়ার সুযোগ দিতে, সমাজের মূলস্রোতে তরুণ নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে এবং নিপীড়নমূলক সামাজিক প্রথা ও স্টেরিওটাইপ দূরীকরণে সাহায্য করছে বেইজিং ঘোষণা। নারীর জন্য সমতাভিত্তিক বিশ্ব গড়ার প্রক্রিয়াটি নিঃসন্দেহে চলমান। তবে বিভিন্ন দেশে লিঙ্গ-সমতার ধারণাটি সম্প্রতি আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে। নানা রক্ষণশীল ভাবধারার পুনর্জাগরণ নারীকে অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে দিচ্ছে। এর ফলে নারীর প্রজনন অধিকারের ওপর খড়গ নেমে আসা, নারী ও কন্যাশিশুদের যৌন হয়রানি-সহিংসতার প্রকোপ বৃদ্ধি, নারীশিক্ষার ওপর আঘাত ও হুমকি এবং পুরনো ধাঁচের পিতৃতান্ত্রিক মূল্যবোধগুলোকে মহিমান্বিত করার মতো বিষয়গুলো দেখতে পাচ্ছি আমরা।
নারী দিবসকে কেন্দ্র করে ১০-২১ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে ‘ইউএন কমিশন অন দ্য স্ট্যাটাস অব উইমেন’-এর ৬৯তম সেশন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। লিঙ্গ-সমতা ও নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়ে জাতিসংঘের বৃহত্তম বার্ষিক আয়োজন এটি। এতে বেইজিং ডিক্লারেশন অ্যান্ড প্ল্যাটফর্ম ফর অ্যাকশনের কতটা বাস্তবায়ন হয়েছে, তার মূল্যায়ন হবে। বিভিন্ন দেশের হাজার হাজার নীতিনির্ধারক, অ্যাকটিভিস্ট ও বিশেষজ্ঞরা সেখানে মিলিত হয়ে তৈরি করবেন ভবিষ্যতের কর্মকৌশল। এবারের নারী দিবস কেন্দ্র করে যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজের গ্লোবাল ইনস্টিটিউট ফর উইমেনস লিডারশিপের উদ্যোগে ৩০টি দেশের ২৪ হাজার মানুষের মতামতের ভিত্তিতে একটি জরিপ পরিচালনা করা হয়। জরিপে প্রাপ্ত ফলাফলগুলো বিভিন্ন প্রজন্মের মধ্যে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য ও অধিকারের বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের কিছু সুস্পষ্ট ধারণা দিয়েছে। সমীক্ষার কয়েকটি দিক চমকে দেওয়ার মতো।
জেন-জি তরুণীদের বৃহৎ অংশ অর্থাৎ ৫৩ শতাংশ নিজেদের নারীবাদী হিসেবে পরিচয় দিতে আগ্রহী। কিন্তু ৬৮ শতাংশ তরুণ মনে করেন যে, লিঙ্গ-সমতার বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি হচ্ছে এবং এর মাধ্যমে পুরুষদের সঙ্গে বৈষম্য করা হচ্ছে। জরিপের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল Battle of the Sexes তথা নারী-পুরুষের মধ্যে বিরাজমান দ্বান্দ্বিক সম্পর্কের বিষয়ে জনগণের মনোভাব জানা। দেখা গেছে, পুরনো প্রজন্মগুলোর চেয়ে নবীনরা এই বিষয়ে বেশি অবগত। ৫৯ শতাংশ জেন-জি বৈষম্যের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। নারীর পিছিয়ে পড়াকে সমস্যা হিসেবে দেখছেন জেন-জি তরুণদের ৫৫ শতাংশ এবং তরুণীদের ৬২ শতাংশ। তবে এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য যথোপযুক্ত নীতিমালা গ্রহণের বিষয়ে নারী-পুরুষ এবং বিভিন্ন প্রজন্মের মধ্যে বিপুল বৈপরীত্য দেখা গেছে। জরিপের ফলাফলগুলো বিশেষ করে জেন-জির মানসিক গঠনকে প্রভাবিত করার জন্য কর্মকৌশল প্রণয়নে প্রচুর রসদ জোগাবে। বিশ্ব জুড়ে লিঙ্গ-অসমতা দূরীকরণে তরুণদের নিয়ে কাজ করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইংল্যান্ডের ষোড়শ শতকের বিশ্বখ্যাত কবি ও নাট্যকার শেকসপিয়রের ‘ক্র্যাবড এইজ অ্যান্ড ইয়ুথ’ কবিতার ভাষায় বললে ‘তারুণ্য হলো গ্রীষ্মের মৃদু সকাল, ক্ষিপ্রতা, ক্রীড়াশীলতা। তারুণ্য হলো বন্য।’ তাই কবি ভজনা করেন তারুণ্যের। সত্যিই, আগামী দিনগুলোতে নারীর জন্য অনাবিল এক জীবনের পথনির্দেশক হতে পারেন আজকের তরুণী।
এই লক্ষ্যে বিশেষ করে স্টেম (STEM) তথা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে কিশোরী-তরুণীদের এগিয়ে দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। উল্লেখ্য, স্টেম (STEM) হলো একটি আমব্রেলা টার্ম। গবেষণা ও উপাত্ত সংগ্রহের ক্ষেত্রে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতকে একত্রিত করে একক টার্ম হিসেবে এটিকে ব্যবহার করা হয়। যা হোক, বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে নারীর অবদানের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি এক্ষেত্রে নারীদের পদচারণা বাড়াতে ২০১৫ সালে সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়। এই প্রস্তাবের মাধ্যমে ১১ ফেব্রুয়ারিকে ‘ইন্টারন্যাশনাল ডে অব উইমেন অ্যান্ড গার্লস ইন সায়েন্স’ ঘোষণা করা হয়। এ বছর দিবসটির দশম বার্ষিকী পালিত হয়। এবারের প্রতিপাদ্য ‘আনপ্যাকিং স্টেম ক্যারিয়ারস : হার ভয়েস ইন সায়েন্স’। কেন বিশেষভাবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির শিক্ষা এবং এ ক্ষেত্রে নারীর কর্মসংস্থানের কথা বলা হচ্ছে? উত্তরটি সবার জানা। বিজ্ঞান-প্রযুক্তির তুমুল অগ্রগতির বর্তমান বিশ্বে এসব ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ারকে আগামী দিনের বৈশ্বিক নিয়ামক হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে উদ্ভাবন, সামাজিক সুরক্ষা, অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের মতো বিষয়। এক্ষেত্রে নারীকে এগিয়ে যাওয়ার বিকল্প নেই।
এ কথা সত্যি যে, অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে মেয়েরা এখন বেশি সংখ্যায় স্কুলে যাচ্ছে। কিন্তু তাদের সবাই সমবয়সী ছেলেদের মতো নিজ পছন্দের বিষয়ে পড়তে পারছে না। সামাজিক প্রথা, রীতি ও ভাবাদর্শ নারীদের শিক্ষার ক্ষেত্রেও বৈষম্যের দেয়াল তুলে রেখেছে। ফলে তাদের কেবল শিক্ষা, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞানের মতো বিষয়গুলোর উপযুক্ত মনে করা হয়। আর এতে বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় বিচরণের সুযোগগুলো তাদের জন্য সংকুচিত হয়ে যায়। প্রতিশ্রুতিশীল ক্ষেত্রগুলোতে নারী-পুরুষের মধ্যকার বৈষম্য দূর করা গেলে, এর তাৎপর্য হবে সুদূরপ্রসারী। ফলে ভেঙে যাবে যাবতীয় স্টেরিওটাইপ। কিশোরীদের উদ্বুদ্ধ করার মতো রোল মডেল হিসেবে তৈরি হবেন অনেক তরুণী। এই শতাব্দীর শুরুতে এক মহাকাশ দুর্ঘটনায় মারা যান ভারতের প্রথম নারী মহাকাশচারী কল্পনা চাওলা।
মৃত্যুর পরও তার জনপ্রিয়তা সে সময় অসংখ্য কিশোরী-তরুণীর মনে নভোচারী হওয়ার আকাক্সক্ষার বীজ বুনে দেয়। বিজ্ঞান-প্রযুক্তি জগতে নারীদের এগিয়ে দেওয়ার পেছনে আরেকটি প্রণোদনা হলো চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা। এ যাবৎ পৃথিবী তিনটি শিল্প বিপ্লবের সময় পেরিয়ে এসেছে। স্টিম ইঞ্জিন ও বুনন যন্ত্রের উদ্ভাবনের মাধ্যমে ১৭৬০ সালে মানব জাতি এক অভূতপূর্ব সময়ের মুখোমুখি হয়। সেটি ছিল প্রথম শিল্প বিপ্লব। বৃহদাকার কলকারখানা গড়ে ওঠায় বিশ্ব অর্থনীতির বিপুল বিকাশ ঘটে। বলা হয়ে থাকে, প্রথম শিল্প বিপ্লব নারী-পুরুষের মধ্যে সামাজিক অন্যায়ের বুনিয়াদি ভিত্তি দৃঢ়তর করেছে। এর কারণ, পুরুষের হাতে অর্থ ও ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হওয়ায় নারী কেবল তার প্রয়োজন পূরণের মাধ্যমে পরিণত হন।
জীবাশ্ম জ্বালানির উৎসগুলো খুঁজে পাওয়ায় ও বিদ্যুতের সহজলভ্যতার ফলে ১৮৭০ থেকে ১৯১৪ সালের মধ্যে দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের দ্বারে পৌঁছায় মানবসভ্যতা। এ সময় নারী পিছিয়ে থাকলেও যুদ্ধ-সংঘাতে পুরুষদের ব্যাপক মৃত্যু তাদের জন্য বাইরের কর্মজগতের দরজা খুলে দেয়। ফলে নারীরা দরকষাকষির জায়গায় পৌঁছে যান। এই বিপ্লবের সময়েই নারীরা ভোটাধিকার পান, যা তাদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের পথ প্রশস্ত করে। ১৯৫০-এর দশকে বিশ্ব তৃতীয় শিল্প বিপ্লবের চৌকাঠে পা রাখে। এটি ছিল কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের যুগ। এ যুগেই নারী সমাজের সব ক্ষেত্রে নিজেদের অন্তর্ভুক্তির দাবিগুলো জোরালো করেন। বেইজিং ঘোষণার পথ ধরে ২০০০ সালে ঘোষিত প্রথম বৈশ্বিক কর্মোদ্যোগ ‘এমডিজি’ (সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা)-তে নারীদের সমাজের মূলধারায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি প্রধান হয়ে ওঠে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের শুরু বর্তমান সহস্রাব্দে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জিন এডিটিং ও রোবোটিকসের অগ্রগতি শিল্প জগতে এক তুমুল সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এ সময়েরই অর্জন ২০১৫ সালে গৃহীত ‘এসডিজি’ (টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা), যার চতুর্থ অভীষ্টে ২০৩০ সালের মধ্যে নারী-পুরুষের পরিপূর্ণ সমতার কথা বলা হয়েছে। সেই সময়সীমা থেকে আমরা মাত্র পাঁচ বছর দূরে এখন। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই অভূতপূর্ব সময়টি নিঃসন্দেহে নারীর জন্য ভিন্ন একটি প্রেক্ষিত হাজির করেছে। এ সময়ের সুবিধাগুলো কাজে লাগিয়ে নারীকে কাক্সিক্ষত সমতায় পৌঁছে দেওয়ার দাবিটি হোক বিশ্ববাসীর অঙ্গীকার।
লেখক: সাংবাদিক