চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার ওপর নির্ভর করবে নতুন সরকারের সাফল্য
ড. ইমতিয়াজ আহমেদ [সূত্র : যুগান্তর, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ]

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আসন্ন। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন নিয়ে নানামুখী আলোচনা চলছে। নির্বাচন কতটা নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে, তার পাশাপাশি আরও একটি বিষয় আলোচিত হচ্ছে তা হলো-ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতাসীন হবে তাদের কী কী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। আমি মনে করি, আগামীতে যারা নির্বাচনে জয়লাভ করে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন, তাদের মোটা দাগে ৫টি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। এসব চ্যালেঞ্জ সঠিকভাবে মোকাবিলার ওপর সরকারের সাফল্য-ব্যর্থতা নির্ভর করবে। কাজেই যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসবে তাদের বিচক্ষণতার সঙ্গে চ্যালেঞ্জ বা সমস্যাগুলো মোকাবিলা করতে হবে। এ চ্যালেঞ্জগুলোর সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্পর্কও জড়িত থাকবে।
নতুন সরকারকে প্রথমেই যে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে তা হলো, দেশে বিদ্যমান এবং ক্রমাবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটানো। বিশেষ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে মব ভায়োলেন্স হচ্ছে, তা কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। বাংলাদেশে এর আগেও অনেকবার আন্দোলনের মুখে সরকার পরিবর্তন ঘটেছে। সরকার পরিবর্তনের পর কয়েকদিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটলেও অল্প দিনেই তা আবার স্বাভাবিক হয়ে আসে। কিন্তু এবার তার ব্যত্যয় লক্ষ করা যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পরিবর্তে ক্রমাগত অবনতি ঘটছে। এটা যে কোনো বিচারেই উদ্বেগজনক। বিভিন্ন সংস্থার জরিপ প্রতিবেদনেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ করে মব ভায়োলেন্স কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের নেতিবাচক ইমেজ তৈরি হচ্ছে। এটা কোনোভাবেই দেশের জন্য মঙ্গলজনক নয়। নেপালেও বাংলাদেশের মতোই ছাত্র-আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তিত হয়েছে। নেপালে যিনি অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন সম্প্রতি তিনি বলেছেন, আমরা নেপালকে কখনোই বাংলাদেশের মতো হতে দেব না। নেপালের মতো দেশও বাংলাদেশকে অবজ্ঞা করে কথা বলছে, এটা চিন্তা করলেও কষ্ট লাগে। কারণ বাংলাদেশ সব সূচকেই নেপালের চেয়ে ভালো অবস্থানে ছিল। এ মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে ‘মবোক্রেসি’ সামাল দেওয়া। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ইমেজ ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কোনো দেশের ইমেজ ক্ষুণ্ন হলে দেশটিকে নানাভাবে সমস্যায় পড়তে হয়। অস্থিতিশীল কোনো দেশে বিদেশি বিনিয়োগ কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় আসে না। কারণ একজন বিদেশি বিনিয়োগকারী কোনো দেশে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট দেশটির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, বিনিয়োগ পরিবেশ এবং সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ সুশাসনের বিষয়গুলো ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে। তারা যদি সন্তুষ্ট না হন, তাহলে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে অন্য দেশে চলে যান। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা হচ্ছেন, ‘শীতের অতিথি পাখির মতো।’ শীতের অতিথি পাখি যেমন কোনো জলাশয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার এবং জীবনের নিরাপত্তা না পেলে আশ্রয় গ্রহণ করে না, বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও তেমনি কোনো দেশে পর্যাপ্ত মুনাফা এবং জীবনের নিশ্চয়তা না পেলে বিনিয়োগ করেন না। অর্থনীতির চাকা সচল রাখার জন্য দেশের বাস্তব আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিকীকরণের কোনো বিকল্প নেই।
স্থানীয় ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তারাও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে নতুন বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণে দ্বিধান্বিত থাকবেন। তারা চাইবেন রাজনৈতিক সরকার আমলে দেশের ব্যবসায়-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হোক। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা বাংলাদেশের বিদ্যমান ব্যবসায়-বাণিজ্যের পরিবেশ নিয়ে যেসব প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে তা খুব একটা সন্তোষজনক নয়। বিশ্বব্যাংকের উদ্যোগে প্রকাশিত সর্বশেষ ‘ইজ অব ডুয়িং বিজনেস’ সূচকে ১৯০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৭৬তম। বর্তমানে ‘ইজ অব ডুয়িং বিজনেস’ সূচক প্রকাশ বন্ধ আছে। এর পরিবর্তে বিশ্বব্যাংক স্টার্ট বিজনেস নামে একটি সূচক প্রকাশ করেছে। সেখানে ৫০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ গ্রেডে। তার অর্থ হচ্ছে, বাংলাদেশে ব্যবসায়-বাণিজ্যের পরিবেশ মোটেও ভালো নেই। এ অবস্থায় স্থানীয় এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীরা নতুন করে বিনিয়োগে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবেই দ্বিধান্বিত থাকবেন এটাই স্বাভাবিক। তাই নতুন যারা সরকার পরিচালনার দায়িত্ব লাভ করবেন তাদের প্রথম দায়িত্ব হবে, যে কোনো মূল্যেই হোক দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটানো। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকলে কোনো সেক্টরেই পরিপূর্ণ সফলতা অর্জন করা সম্ভব নয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ থাকলে একটি ব্যবসায় হয়তো ভালো চলতে পারে তা হলো অস্ত্র ক্রয়-বিক্রয়। একটি দেশে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবসা সম্প্রসারিত হোক তা কোনো সরকারেরই কাম্য হতে পারে না। অস্ত্র ব্যবসায়ীরা সব সময়ই অরাজকতা পছন্দ করেন। কিন্তু কোনো সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষ কখনোই অরাজকতা পছন্দ করতে পারেন না। বিশৃঙ্খল পরিবেশে অন্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সব স্থবির হয়ে পড়ে।
রাস্তা-ঘাট নির্মাণ, কল-কারখানা স্থাপনসহ সব ধরনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো না থাকলে বিঘ্নিত হতে বাধ্য। তাই উৎপাদন কর্মের সঙ্গে যুক্ত কোনো মানুষই সংঘাতময় পরিস্থিতি প্রত্যাশা করেন না। তারা চান নিরিবিলি পরিবেশ যেখানে তারা শঙ্কাহীনভাবে তাদের কার্যক্রম চালাতে পারবে। ব্যক্তি খাতে ব্যাংক ঋণের প্রবৃদ্ধি আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। বর্তমানে ব্যক্তি খাতে ব্যাংক ঋণের প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে, যা বিগত ২০ বছরের মধ্যে সর্বনিু। শিল্পে ব্যবহার্য ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, কাঁচামাল ও মধ্যবর্তী পণ্য আমদানিও কমেছে আশঙ্কাজনকভাবে। ব্যক্তি খাতে ব্যাংক ঋণের প্রবৃদ্ধি কমার অর্থ হচ্ছে উৎপাদনশীল খাতে স্থবিরতা দেখা দেওয়া। এ অবস্থা দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চাকা থমকে দাঁড়াবে। চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর বিদেশি বিনিয়োগ হ্রাস পেয়েছে। গত ডিসেম্বর মাসে পণ্য রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৪ দশমিক ২৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এটা কোনোভাবেই আমাদের জন্য ভালো লক্ষণ নয়।
দেশের ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তারা এখন ‘ধীরে চলো’ নীতি অনুসরণ করছেন। তারা মনে করছেন, নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় না আসা পর্যন্ত পরিস্থিতির ইতিবাচক উন্নতি হবে না। তাই তারা নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকারের জন্য অপেক্ষা করছেন। নির্বাচতি সরকারে জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হবে সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের আবারও ব্যবসায়-বাণিজ্যের অঙ্গনে ফিরিয়ে আনা।
নির্বাচিত সরকারে জন্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে বিরাট চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। বাংলাদেশ অবস্থানগত কারণেই দুর্যোগপ্রবণ একটি দেশ। প্রতিবছর বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ আমাদের মোকাবিলা করতে হয়। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন প্রায় প্রতিবছরই বাংলাদেশের মানুষকে বিপর্যস্ত করছে। ইদানীং আবার ভূমিকম্পের প্রবণতা শুরু হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ কীভাবে সামাল দেওয়া যায়। অন্ততপক্ষে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে সৃষ্ট আর্থিক ক্ষতি কীভাবে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখা যায়, তা নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে উপযুক্ত পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে। বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটলে সরকার উন্নয়ন কার্যক্রমে মনোযোগ দিতে পারবে না।
claimate change কার্যক্রম থেকে পশ্চিমা দেশ, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরে গেছে; তাই আগামীতে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটলে আন্তর্জাতিক সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ সঠিকভাবে মোকাবিলা না করতে পারলে কী সমস্যা হয় তার বড় দৃষ্টান্ত হচ্ছে নেপাল। নেপাল উন্নয়নশীল দেশের প্রাথমিক তালিকায় উত্তীর্ণ হয়েছিল। কিন্তু দেশটি ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে নেপালকে আবার স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ এ বছর (২০২৬) থেকে উন্নয়নশীল দেশের চূড়ান্ত তালিকায় উত্তীর্ণ হতে যাচ্ছে। কাজেই আমরা যদি সঠিক ও কার্যকর দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে না পারি তাহলে বাংলাদেশকেও উন্নয়নশীল দেশের চূড়ান্ত তালিকা থেকে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় নামিয়ে দেওয়া হতে পারে।
আগামীতে বাংলাদেশকে কঠিন ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি আর আগের মতো শক্তিশালী অবস্থানে নেই। তারা নিজেদের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলার জন্য আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে পরিবর্তন আনছে। দেশটি বিভিন্ন স্থানে সংঘাতে প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে জড়িয়ে পড়ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপির একটি বড় অংশ আসে অস্ত্র বিক্রি থেকে। তাই তারা চাইবে কীভাবে অস্ত্র বিক্রি আগামীতে আরও বাড়ানো যায়। পরিবর্তনশীল ভূ-রাজনীতি কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, নতুন সরকারকে তা নিয়ে ভাবতে হবে। আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে আগামীতে পেশাদারত্বের ওপর বিশেষ জোর দিতে হবে। বিচক্ষণতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।
নতুন সরকারের জন্য রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু সংকট নিরসন করাটাও গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দেবে। রোহিঙ্গা শরণার্থীরা অনেকদিন ধরেই বাংলাদেশে অবস্থান করছে। এটা অনন্তকাল ধরে চলতে পারে না। কীভাবে মিয়ানমারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গা শরণার্র্থীদের তাদের দেশে পাঠানো যায় তা নিয়ে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশের কাছে প্রতিবেশী দেশ যারা বাংলাদেশের তিনদিক ঘিরে আছে, সেই ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বর্তমান খুব একটা ভালো নেই। আমরা চাইলেই ভারত এবং মিয়ানমারকে সরিয়ে দিতে পারব না। কারণ তারা আমাদের প্রতিবেশী। কাজেই আত্মমর্যাদা বাজায় রেখে ভারত এবং মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটাতে হবে।
মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক খুব একটা ভালো না থাকলেও ভারত আমাদের বড় ব্যবসায়িক পার্টনার। জুলাই অভ্যুত্থানের পর ভারত থেকে বাংলাদেশের পণ্য আমদানি কমলেও দেশটিতে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১২ শতাংশ। তাই ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে হবে। নতুন সরকারকে এ ব্যাপারে প্রথম থেকেই উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। প্রতিবেশীর সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় না থাকলে কোনো দেশেই উন্নয়ন-অগ্রগতি অর্জন করতে পারে না।
এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। এর সাফল্যের ওপর নির্ভর করবে আগামী সরকারের সফলতা-ব্যর্থতা।
(অনুলিখন : এমএ খালেক)
লেখক : অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়