কল করুন

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স

এবার মোদিকে শায়েস্তা করবেন ট্রাম্প, চাপাবেন ৫০০ শতাংশ শুল্ক?

[আপডেট: বাংলাদেশ প্রতিদিন, ০৮ জানুয়ারি, ২০২৬]

এবার মোদিকে শায়েস্তা করবেন ট্রাম্প, চাপাবেন ৫০০ শতাংশ শুল্ক?

রাশিয়া থেকে অশোধিত তেল কেনার জন্য শাস্তি হিসাবে ভারতের ওপর ৫০০ শতাংশ কর বসাতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্য এটা বড় অশনি সংকেত।

 

 

এর আগে একই কাজের শাস্তি হিসেবে ভারতের ওপর বাড়তি ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছিলেন ট্রাম্প। ফলে ভারতীয় পণ্যের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক গুনতে হয়।

 

 

এবার রাশিয়ার তেলের জন্য ভারতকে আরও কঠোর ‘শাস্তি’ দিতে চলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভারতীয় পণ্যে শুল্কের পরিমাণ বাড়িয়ে ৫০০ শতাংশও করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। একই ‘শাস্তি’র মুখে পড়তে পারে চিন এবং ব্রাজিলও। শীঘ্রই মার্কিন আইনসভায় এই সংক্রান্ত বিল পেশ করা হবে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির সদস্য লিন্ডসে গ্রাহাম।

 

 

বুধবার লিন্ডসে ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করেন। তার পর সামাজিক মাধ্যমে তিনি জানান, এই সংক্রান্ত বিল পেশের বিষয়ে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছেন ট্রাম্প। আগামী সপ্তাহেই এই বিলটি নিয়ে আমেরিকার আইনসভায় ভোটাভুটি হতে পারে বলেও জানিয়েছেন লিন্ডসে।

 

 

বিলটির গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে লিন্ডসে লেখেন, এর ফলে যে সমস্ত দেশ সস্তায় রাশিয়ার তেল কিনে (ভ্লাদিমির) পুতিনকে যুদ্ধে সহায়তা করছে, তাদের শাস্তি দিতে পারবেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। রাশিয়া থেকে এখনও তেল আমদানি অব্যাহত রাখা দেশগুলিই এই শাস্তি পাবে বলে জানিয়েছেন তিনি। লিন্ডসে তাঁর পোস্টে ভারত ছাড়াও ব্রাজিল এবং চীনের নামোল্লেখ করেছেন।

 

 

আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির অন্যতম শর্ত হিসেবেও রুশ তেল আমদানি বন্ধ করার চাপ রয়েছে নয়াদিল্লির ওপর। তা ছাড়া রাশিয়ার দুই তেল সংস্থা রসনেফ্ট ও লুকঅয়েলের উপরেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রেখেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এই আবহে গত রবিবার ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন,ওরা (ভারত) বাণিজ্য (রাশিয়ার সঙ্গে) করছে। আমরা ওদের উপর খুব তাড়াতাড়ি আরও বেশি শুল্ক চাপাতে পারি।

 

 

ট্রাম্প প্রশাসনের চাপের মুখে নয়াদিল্লি অবশ্য বার বারই জানিয়ে এসেছে, দেশের উপভোক্তাদের কথা মাথায় রেখেই সিদ্ধান্ত নেবে তারা। কোন দেশ থেকে কতটা সস্তায় তেল পাওয়া যাচ্ছে, মাথায় রাখা হবে সেটাও। রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরেই মস্কোর তেল বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল আমেরিকা। সেই সময় তেল বিক্রি অব্যাহত রাখতে মোটা অঙ্ক ছাড় দেওয়ার কথা ঘোষণা করে ভ্লাদিমির পুতিনের প্রশাসন।

সূত্র: আল জাজিরা