কল করুন

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স

গ্রিনল্যান্ড না দিলে ইউরোপের ৮ দেশের ওপর শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের

এই শুল্কের আওতায় পড়বে ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস এবং ফিনল্যান্ড। [আপডেট: বণিক বার্তা অনলাইন, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬]

গ্রিনল্যান্ড না দিলে ইউরোপের ৮ দেশের ওপর শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কোনো চুক্তিতে না পৌঁছালে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ডেনমার্কসহ ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে যুক্তরাষ্ট্র। ১ জুনের মধ্যে কোনো সমাধান না হলে এই শুল্ক বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হবে বলেও হুমকি দিয়েছেন তিনি।

 

 

আর্কটিক অঞ্চলের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড কেনার প্রচেষ্টায় ডেনমার্ক ও ইউরোপীয় মিত্রদের ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার এক ঘোষণায় তিনি জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কোনো চুক্তিতে না পৌঁছালে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ডেনমার্কসহ ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে যুক্তরাষ্ট্র। ১ জুনের মধ্যে কোনো সমাধান না হলে এই শুল্ক বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হবে বলেও হুমকি দিয়েছেন তিনি। এই শুল্কের আওতায় পড়বে ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস এবং ফিনল্যান্ড। খবর সিএনএন।

 

 

 
 
 
 
 
 
 
 
 

ট্রাম্পের এই আকস্মিক হুমকিতে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স রাসমুসেন। তিনি বলেন, চলতি সপ্তাহেই মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে একটি গঠনমূলক বৈঠক হয়েছিল, যার পর এমন ঘোষণা অপ্রত্যাশিত।

 

 

এদিকে, গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুউক এবং ডেনমার্কের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে। বিক্ষোভকারীদের হাতে ছিল ‘গ্রিনল্যান্ড বিক্রয়যোগ্য নয়’ সংবলিত প্ল্যাকার্ড। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) আইনপ্রণেতারাও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান বাণিজ্য চুক্তি স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছেন।

 

ট্রাম্প সাধারণত 'ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট' ব্যবহার করে এ ধরনের শুল্ক আরোপ করেন। তবে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে তার এই ক্ষমতা ব্যবহারের বৈধতা নিয়ে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে শুনানি চলছে। বিচারপতিরা ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের বিষয়ে কিছুটা সংশয় প্রকাশ করেছেন, কারণ সংশ্লিষ্ট আইনে সরাসরি ট্যারিফ বা শুল্কের উল্লেখ নেই। আদালত যদি ট্রাম্পের বিপক্ষে রায় দেয়, তবে তার এই শুল্ক কৌশল বড় ধরনের বাধার মুখে পড়তে পারে।

 

 

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ন্যাটো মিত্রদের ওপর এ ধরনের অর্থনৈতিক চাপ ট্রান্স-আটলান্টিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নজিরবিহীন ফাটল তৈরি করতে পারে।