কল করুন

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স

খাল খনন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলেও এককভাবে কোনো স্থায়ী সমাধান নয়

ড. শফি মুহাম্মদ তারেক [প্রকাশ: বণিক বার্তা, ১৯ এপ্রিল ২০২৬]

খাল খনন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলেও এককভাবে কোনো স্থায়ী সমাধান নয়

বাংলাদেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি, অর্থনীতি এবং মানুষের জীবনযাত্রা নদী ও খালের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। এখানকার ভৌগোলিক গঠনই এমন যে অসংখ্য নদী, শাখা নদী এবং খাল একে অন্যের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে একটি বিস্তৃত জলজ নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে।

 

 

 

এ জলজ ব্যবস্থাই কৃষি অর্থনীতি। কিন্তু আধুনিক সময়ে এসে এ নদী ও খালগুলো মারাত্মকভাবে দূষিত এবং অবহেলিত হয়ে পড়েছে। ফলে টেকসই উন্নয়নের পথে বড় বাধা তৈরি হয়েছে। শুধু খাল ড্রেজিং বা খননের মাধ্যমে পুরো সমস্যার সমাধান হবে না। বরং নদীগুলোকে সম্পূর্ণ দূষণমুক্ত করা এবং একটি সমন্বিত, দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর পরিকল্পনা নেয়া জরুরি।

 
 
 
 
 
 

খননের পাশাপাশি সরকারকে নদী দখলমুক্ত করার উদ্যোগও নিতে হবে। অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে নদীর সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা প্রয়োজন। অনেক স্থানে নদীর তীর সংরক্ষণে বাঁধ ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে, যাতে ভাঙন রোধ করা যায় এবং নদীর স্বাভাবিক গতি বজায় থাকে। নৌ-পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্যও সরকারকে নদী খননে গুরুত্ব দিতে হবে। নাব্যতা বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীপথে চলাচল সহজ হবে, যা পণ্য পরিবহনকে সাশ্রয়ী ও কার্যকর করে তুলবে। ফলে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রম বৃদ্ধি পাবে। তবে শুধু খনন করলেই সমাধান হয় না—বিষয়টি সরকারকে উপলব্ধি করতে হবে। নদীদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দিকেও গুরুত্ব দেয়া উচিত। শিল্প-কারখানার বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য পরিশোধনাগার স্থাপন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নদী রক্ষার চেষ্টা করতে হবে।

 

 

 

খাল ড্রেজিং বা খনন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলেও এটি এককভাবে কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নদী ও খালে পলি জমে, যা স্বাভাবিক একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। কিন্তু যখন এই পলি জমার সঙ্গে যুক্ত হয় অবৈধ দখল, বর্জ্য ফেলা এবং অপরিকল্পিত নির্মাণ, তখন খালগুলো দ্রুত ভরাট হয়ে যায়। ফলে পানিপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি হয় এবং জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। বর্ষাকালে শহর ও গ্রামাঞ্চলে ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, যা মানুষের জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে। ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে খালের গভীরতা ও প্রস্থ বাড়ানো গেলে সাময়িক সমাধান হয়। কিন্তু দূষণের উৎস বন্ধ না করলে এবং খাল রক্ষার কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে একই সমস্যা দেখা দেয়। এজন্য ড্রেজিংকে একটি বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

 

 

 

নদীদূষণের প্রধান উৎসগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো শিল্প-কারখানার বর্জ্য। বাংলাদেশের শিল্প খাত দ্রুত সম্প্রসারিত হয়েছে, বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্প, চামড়া শিল্প এবং বিভিন্ন রাসায়নিক কারখানা। এসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানের অনেকেই তাদের বর্জ্য যথাযথভাবে পরিশোধন না করে সরাসরি নদী ও খালে ফেলছে। এতে পানিতে ভারী ধাতু, বিষাক্ত রাসায়নিক ও ক্ষতিকর পদার্থ মিশে যাচ্ছে। এ দূষণ জলজ প্রাণীর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এবং মানুষের জন্যও বিপজ্জনক। অনেক ক্ষেত্রে পানি ব্যবহার করে কৃষিকাজ করা হয়, খাদ্যশৃঙ্খলের মাধ্যমে এ বিষাক্ত উপাদান মানুষের শরীরে প্রবেশ করছে। তাই শিল্পবর্জ্য নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি। প্রতিটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কার্যকর বর্জ্য পরিশোধনাগার স্থাপন এবং তা নিয়মিত পরিচালনা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আরো সক্রিয় হতে হবে। গৃহস্থালি বর্জ্যও নদীদূষণের একটি বড় কারণ। শহর ও গ্রামাঞ্চলে অনেক ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নেই।

 

 

ফলে মানুষ তাদের দৈনন্দিন বর্জ্য খাল বা নদীতে ফেলে দেয়। প্লাস্টিক বর্জ্য, পলিথিন, খাবারের উচ্ছিষ্ট এবং অন্যান্য কঠিন বর্জ্য পানিকে দূষিত করে এবং পানির প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে। বিশেষ করে প্লাস্টিক দূষণ একটি বৈশ্বিক সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে এবং বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। এজন্য কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। প্রতিটি এলাকায় নিয়মিত বর্জ্য সংগ্রহ, পুনর্ব্যবহার এবং সঠিকভাবে অপসারণের ব্যবস্থা থাকতে হবে। পাশাপাশি জনগণকে সচেতন করতে হবে যাতে তারা পরিবেশবান্ধব আচরণ করে। টেকসই উন্নয়নের জন্য জনসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ যদি নিজের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন না হয়, তাহলে কোনো উদ্যোগই সফল হবে না। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম এবং সামাজিক সংগঠনগুলোর মাধ্যমে জনগণের মধ্যে দূষণমুক্ত নদীর গুরুত্ব তুলে ধরতে হবে। স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে নদী পরিষ্কার রাখা এবং দূষণ রোধে কার্যক্রম পরিচালনা করা যেতে পারে। এতে মানুষের মধ্যে দায়িত্ববোধ সৃষ্টি হবে এবং তারা নিজেরাই নদী রক্ষায় এগিয়ে আসবে।

 

 

আধুনিক কৃষিতে উৎপাদন বাড়ানোর জন্য অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক ব্যবহার করা হয়। এসব রাসায়নিক বৃষ্টির পানির সঙ্গে নদীতে প্রবেশ করে এবং পানির গুণগত মান নষ্ট করে। এতে ইউট্রোফিকেশন নামক একটি সমস্যা সৃষ্টি হয়, যেখানে পানিতে অতিরিক্ত পুষ্টি উপাদান জমে শৈবালের বৃদ্ধি বাড়িয়ে দেয় এবং পানির অক্সিজেন কমিয়ে দেয়। ফলে মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণী মারা যায়। এ সমস্যা সমাধানের জন্য টেকসই কৃষি পদ্ধতি গ্রহণ করা জরুরি। জৈব সার ব্যবহার, সুষম সার প্রয়োগ এবং প্রাকৃতিক কীটনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে এ দূষণ কমানো সম্ভব। এছাড়া নদীর তীরে গাছপালা লাগানো হলে তা প্রাকৃতিকভাবে দূষণ কমাতে সাহায্য করে। নদী ও খালের দখলদারত্ব একটি গুরুতর সমস্যা। অনেক ক্ষেত্রে প্রভাবশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অবৈধভাবে নদী ও খালের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করছে। ফলে নদীর প্রস্থ কমে যায় এবং পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। এতে বন্যার ঝুঁকি বাড়ে এবং জলাবদ্ধতার সমস্যা আরো তীব্র হয়। এ সমস্যা সমাধানের জন্য কঠোর আইন প্রয়োগ এবং নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন। সরকারকে দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে এবং নদী ও খালের সীমানা নির্ধারণ করে তা সংরক্ষণ করতে হবে।

 

 

বাংলাদেশের কৃষিতে সবুজ বিপ্লব একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ষাটের দশক থেকে শুরু হওয়া এ বিপ্লবের মাধ্যমে উচ্চফলনশীল বীজ, সেচ ব্যবস্থা, রাসায়নিক সার এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পায়। ফলে খাদ্য উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায় এবং বাংলাদেশ খাদ্য ঘাটতি থেকে অনেকাংশে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দিকে এগিয়ে যায়। ধান, গম এবং অন্যান্য ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে সবুজ বিপ্লবের সঙ্গে কিছু চ্যালেঞ্জও যুক্ত রয়েছে। অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে মাটির উর্বরতা কমে যায় এবং পরিবেশদূষণ ঘটে। একই সঙ্গে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা সৃষ্টি হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে পানির স্তর কমিয়ে দেয়া। এ প্রেক্ষাপটে নদীর পানি ব্যবহারের গুরুত্ব আরো বেড়ে যায়। খননের মাধ্যমে যদি নদীতে পর্যাপ্ত পানি সংরক্ষণ করা যায়, তাহলে কৃষিতে সেচের জন্য ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীলতা কমানো সম্ভব। নদী খনন এবং সবুজ বিপ্লব একে অন্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। নদী খননের মাধ্যমে সেচের জন্য পর্যাপ্ত পানি নিশ্চিত করা গেলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। একই সঙ্গে নদীর মাধ্যমে পলি জমে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়, যা রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমাতে সাহায্য করে। ফলে পরিবেশের ওপর চাপ কমে এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।

 

 

টেকসই উন্নয়নের জন্য নদী খনন, দূষণমুক্ত নদী এবং সবুজ বিপ্লবকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করা জরুরি। শুধু উৎপাদন বৃদ্ধি করাই যথেষ্ট নয়; বরং পরিবেশ রক্ষা, প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা বিবেচনা করে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। নদী খননের ক্ষেত্রে পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন করা জরুরি, যাতে জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি না হয়। একই সঙ্গে কৃষিতে জৈব পদ্ধতি, সুষম সার ব্যবহার এবং পানির সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।

 

 

সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নদী রক্ষা এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি প্রচলন করা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বাংলাদেশের নদী ব্যবস্থাকে আরো জটিল করে তুলেছে। অতিবৃষ্টি, বন্যা এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি নদীর স্বাভাবিক প্রবাহকে ব্যাহত করে। তাই নদী ও খাল রক্ষা করা জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, বন্যা এবং খরার কারণে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে নদী খননের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণ এবং সেচ ব্যবস্থা উন্নত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে জলবায়ু সহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবন এবং ব্যবহার বাড়াতে হবে।

 

 

নদী খনন এবং দূষণমুক্ত নদী বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য দুটি উপাদান। এ দুটি বিষয়কে সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, পরিবেশ রক্ষা পাবে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। এজন্য প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা, কার্যকর বাস্তবায়ন এবং সব স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সমৃদ্ধ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে এখনই এ বিষয়গুলোর প্রতি গুরুত্ব দেয়া জরুরি। প্রযুক্তির ব্যবহার নদী রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পানির মান পর্যবেক্ষণ করা এবং দূষণের উৎস শনাক্ত করা সম্ভব। এতে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া সহজ হয়। এছাড়া বর্জ্য পরিশোধন ও পুনর্ব্যবহারের জন্য উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা যেতে পারে, যা পরিবেশের ক্ষতি কমাতে সাহায্য করবে।

 

 

এছাড়া সরকারি বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি। পানিসম্পদ, পরিবেশ, শিল্প এবং স্থানীয় সরকার—এসব খাতের মধ্যে সমন্বিত পরিকল্পনা থাকতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ এবং তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। পর্যাপ্ত অর্থায়ন এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছাও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সর্বোপরি বলা যায়, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে শুধু খাল ড্রেজিং যথেষ্ট নয়। নদীকে দূষণমুক্ত করা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করা, আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তির ব্যবহার—সবকিছুর সমন্বিত প্রয়াস প্রয়োজন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ তার প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করতে পারবে এবং একটি সুন্দর, নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।

 

 

ড. শফি মুহাম্মদ তারেক: অধ্যাপক, পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়; ফেলো, রয়্যাল কেমিক্যাল সোসাইটি এবং চার্টার্ড পরিবেশবিদ, যুক্তরাজ্য