কল করুন

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সমীকরণ

মে. জে. (অব.) এইচআরএম রোকন উদ্দিন [প্রকাশ : যুগান্তর, ২৯ এপ্রিল ২০২৬]

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সমীকরণ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বর্তমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে শান্তি বলে মনে করা উচিত নয়। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাত এখন এক অনিশ্চিত ও জটিল পর্যায়ে পৌঁছেছে; যুদ্ধ, যুদ্ধবিরতি এবং শান্তি আলোচনা-সবকিছুই একসঙ্গে চললেও পরিস্থিতি কোনো সুস্পষ্ট সমাধানের দিকে এগোচ্ছে না। প্রাথমিকভাবে যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল, সেটি মূলত উত্তেজনা কমিয়ে আলোচনার পথ তৈরি করার উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়। কিন্তু সেই বিরতি একটি সুসংগঠিত শান্তি প্রক্রিয়ায় রূপ নিতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একতরফাভাবে যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, যা ইঙ্গিত দেয়-তারা সরাসরি সংঘাত এড়াতে চাইলেও কৌশলগত চাপ ধরে রাখতে আগ্রহী। অন্যদিকে ইরানের পক্ষ থেকে এ পদক্ষেপকে পুরোপুরি সমর্থনের কোনো স্পষ্ট প্রতিফলন দেখা যায়নি।

 

 

এ প্রেক্ষাপটে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও স্থবির হয়ে পড়েছে। ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা; কিন্তু উভয় পক্ষের কঠোর অবস্থানের কারণে তা আর হয়নি। ইরান দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং সামুদ্রিক অবরোধ শিথিল করার দাবি জানিয়ে আসছে, যা তারা আলোচনার পূর্বশর্ত হিসাবে বিবেচনা করে। বিপরীতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ এবং আঞ্চলিক কার্যক্রম সীমিত করার দাবি থেকে সরে আসেনি যুক্তরাষ্ট্র। এ অচলাবস্থা মূলত গভীর পারস্পরিক অবিশ্বাসের প্রতিফলন। ওয়াশিংটনের দৃষ্টিতে চাপ সৃষ্টি করে একটি কঠোর চুক্তি আদায় করা সম্ভব, আর তেহরান মতে চাপের মধ্যে আলোচনায় বসা মানে আত্মসমর্পণ। ফলে যুদ্ধবিরতিও এখন একধরনের কৌশলগত অবস্থান-শান্তির সেতু নয়, বরং নতুন করে শক্তি সঞ্চয়ের একটি বিরতি। এদিকে মাঠপর্যায়ে উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি অঞ্চলে নৌচলাচল নিয়ে উত্তেজনা, জাহাজ জব্দ এবং সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধিতে মনে হচ্ছে, পরিস্থিতি খুব দ্রুত আবারও সংঘাতে রূপ নিতে পারে। অর্থাৎ যুদ্ধবিরতি কার্যত নামমাত্র রয়েছে; সংঘাত তার ভিন্নরূপে চলমান।

 

 

ইসলামাবাদের আলোচনা ব্যর্থ হওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করে। পূর্ববর্তী বৈঠকগুলোয় দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা হলেও মূল বিষয়গুলো, বিশেষ করে সামুদ্রিক প্রবেশাধিকার ও পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে সমঝোতা হয়নি। এ অবস্থায় সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো এর বৈশ্বিক প্রভাব। এ সংঘাত ইতোমধ্যে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে, মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে দুর্বল করেছে এবং একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়েছে। এর প্রভাব শুধু এ অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বৈশ্বিক অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার ওপরও এর গভীর প্রভাব পড়তে পারে।

 

 

এ প্রেক্ষাপটে উভয় পক্ষের জন্য সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো সংযম ও বাস্তববাদ। কঠোর অবস্থান এবং একতরফা সিদ্ধান্তের মাধ্যমে স্থায়ী শান্তি অর্জন সম্ভব নয়। এখন দরকার পারস্পরিক বোঝাপড়া, আপসের মানসিকতা এবং আন্তরিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা। মানবতার স্বার্থে এবং বিশ্বের স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত জরুরি হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়েরই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা। একটি টেকসই শান্তি কেবল তখনই সম্ভব, যখন উভয় পক্ষ ধৈর্য, সংলাপ এবং বাস্তবতার ভিত্তিতে এগিয়ে যাবে। বিশ্বের দৃষ্টি এখন তাদের দিকে এবং এ সংকটের ব্যর্থতা শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক পরিণতি ডেকে আনতে পারে। এ ভঙ্গুর প্রেক্ষাপটে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তানের ভূমিকা তাৎক্ষণিক সংঘর্ষ বিরতির চেয়েও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামাবাদ এ সংঘাতের সমাধান করেনি; বরং একটি সংকটময় মুহূর্তে কূটনৈতিক পরিসর তৈরি করেছে। রাজধানীতে পরবর্তী আলোচনা আয়োজন এবং প্রধান সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে পাকিস্তান আবারও প্রমাণ করেছে, সংকট মোকাবিলায় ভৌগোলিক অবস্থান, কূটনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা এবং ঐতিহাসিক আস্থার সম্পর্ক কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তবুও যুদ্ধবিরতি এখনো বিতর্কিত। এটি লেবাননের মতো প্রক্সি সংঘাতের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য কি না এবং সমুদ্রপথ ব্যবহারের শর্ত নিয়ে মতবিরোধ রয়ে গেছে। এসব পার্থক্য দেখায়, এটি কোনো চূড়ান্ত সমাধান নয়; বরং অনিষ্পন্ন সংঘাতের ওপর ঝুলে থাকা একটি ভঙ্গুর কাঠামো।

 

 

এ সংঘাতের পর যে বাস্তবতা তৈরি হবে, তা যুদ্ধপূর্ব মধ্যপ্রাচ্যের মতো হবে না। এমনকি যুদ্ধ থেমে গেলেও অঞ্চলটি আরও সামরিকীকৃত, আন্তঃসংযুক্ত এবং সংকটপ্রবণ ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে। ইতোমধ্যেই কয়েকটি কাঠামোগত পরিবর্তন স্পষ্ট। প্রথমত, আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য নতুনভাবে নির্ধারিত হচ্ছে। উপসাগরীয় নিরাপত্তা কাঠামো, ইরানের পারমাণবিক অগ্রগতি, ইসরাইলের সামরিক স্বাধীনতা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির মাত্রা-সবকিছুই পুনর্বিবেচনার মধ্যে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এখনো অপরিহার্য সামরিক শক্তি হিসাবে থাকবে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে হাজার হাজার সেনা মোতায়েন রাখবে, কিন্তু এককভাবে সব সিদ্ধান্ত নির্ধারণ করার ক্ষমতা কমে গেছে। আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলো এখন নিজেদের কৌশলগত স্বাধীনতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে, যদিও তারা এখনো যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চয়তার ওপর নির্ভরশীল। দ্বিতীয়ত, সংঘাতের প্রকৃতি বদলে গেছে। প্রচলিত রাষ্ট্রভিত্তিক যুদ্ধ এখন প্রক্সি যুদ্ধ, সমুদ্রপথে বিঘ্ন সৃষ্টি, সাইবার হামলা এবং অর্থনৈতিক চাপের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে। সাম্প্রতিক সংকটে জাহাজ চলাচলে হামলা, জ্বালানি অবকাঠামোর হুমকি এবং বিভিন্ন অঞ্চলে মিলিশিয়া কার্যক্রম বাড়তে দেখা গেছে। এ বহুমাত্রিক প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করে যে স্থানীয় সংঘর্ষও আন্তর্জাতিক প্রভাব ফেলতে পারে। তৃতীয়ত, অর্থনৈতিক ঝুঁকি বেড়েছে। গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি)-এর অর্থনীতি অবিচ্ছিন্ন জ্বালানি রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল। হরমুজ প্রণালিতে দীর্ঘমেয়াদি বিঘ্ন ঘটলে প্রতিদিন ১৭-২০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বৈশ্বিক বাজার থেকে হারিয়ে যেতে পারে, যা বিশ্বজুড়ে মূল্যবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন সৃষ্টি করবে। ফলে উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য আঞ্চলিক অস্থিরতা কেবল রাজনৈতিক নয়, একটি অস্তিত্বগত অর্থনৈতিক হুমকি।

 

 

এ প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের মধ্যস্থতা গভীরভাবে বিশ্লেষণযোগ্য। ইসলামাবাদ কেবল একটি নিরপেক্ষ স্থান নয়; এটি এমন একটি রাষ্ট্র, যা একই সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তিগুলোর সঙ্গে বিশ্বাসযোগ্যভাবে কথা বলতে পারে। ওয়াশিংটন, তেহরান, বেইজিং, রিয়াদসহ অন্যান্য উপসাগরীয় রাজধানীর সঙ্গে পাকিস্তানের কার্যকর সম্পর্ক রয়েছে; যা বর্তমান বিশ্বে একটি বিরল কূটনৈতিক সম্পদ। পাকিস্তানের এ সক্ষমতার ভিত্তি রয়েছে সমসাময়িক অবস্থান ও ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতায়। স্নায়ুযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্ক পুনঃস্থাপনে পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে, যার মাধ্যমে হেনরি কিসিঞ্জারের গোপন বেইজিং সফর সম্ভব হয়। এর আগে ১৯৫৪ সালের প্রতিরক্ষা চুক্তি এবং সিয়াটোতে সদস্যপদ গ্রহণের মাধ্যমে পশ্চিমাদের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এসব অভিজ্ঞতা পাকিস্তানকে জটিল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রে সক্ষম করে তুলেছে।

 

 

 

বর্তমান সংকটে পাকিস্তানের প্রভাব জোর প্রয়োগে নয়, বরং যোগাযোগ ও বিশ্বাসযোগ্যতায়। এটি সব পক্ষকে বাস্তবতা বুঝতে সহায়তা করতে পারে। তেহরানকে এটি বোঝাতে পারে যে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের দাবি বাস্তবসম্মত নয়। একইভাবে উপসাগরীয় দেশগুলোকে এটি স্মরণ করিয়ে দিতে পারে যে, তাদের অর্থনৈতিক অবকাঠামো ইরানের প্রভাবের আওতায় রয়েছে এবং প্রয়োজনে ইরান সেগুলো লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। পাকিস্তানের নিজস্ব নিরাপত্তা পরিস্থিতিও এর মধ্যস্থতাকে প্রভাবিত করে। ইরান ও আফগানিস্তানে অস্থিরতা সরাসরি পাকিস্তানের পশ্চিম সীমান্তে প্রভাব ফেলে, যা জঙ্গিবাদ, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক চাপ বাড়ায়। তাই আঞ্চলিক উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণ করা পাকিস্তানের জন্য কেবল কূটনৈতিক নয়, একটি জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়।

 

 

এ সংকটের অন্যতম বড় শিক্ষা হলো, কোনো রাষ্ট্র আর নিরপেক্ষ থাকতে পারে না। ‘এটি আমাদের যুদ্ধ নয়’-এ ধারণা এখন অচল। অর্থনৈতিক সংযোগ, জঙ্গি নেটওয়ার্ক এবং সামরিক জোটের কারণে সব রাষ্ট্রই কোনো না কোনোভাবে জড়িত। সমুদ্রপথে বিঘ্ন শুধু তেল রপ্তানিকারক দেশ নয়, বরং আমদানিনির্ভর অর্থনীতিগুলোকেও প্রভাবিত করে। শরণার্থী প্রবাহ, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা এবং প্রক্সি সংঘাত অনেক দূরের দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ রাজনীতিকেও অস্থিতিশীল করতে পারে। ফলে আঞ্চলিক সংকট খুব দ্রুত বৈশ্বিক ইস্যুতে পরিণত হয়।

 

 

যুদ্ধপরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে চিহ্নিত হবে। প্রথমত, এটি হবে বহুমুখী শক্তির একটি কাঠামো। যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ থাকলেও একক আধিপত্য থাকবে না। পাকিস্তান, তুরস্ক, সৌদি আরব, কাতার, মিসর এবং চীনসহ অন্যান্য শক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দ্বিতীয়ত, আস্থা নয়, বরং ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ হবে মূল ভিত্তি। পূর্ণাঙ্গ শান্তিচুক্তির বদলে সীমিত সমঝোতা, সমুদ্র নিরাপত্তা, প্রক্সি নিয়ন্ত্রণ এবং সংকটকালীন যোগাযোগব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়া হবে। তৃতীয়ত, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতার বাস্তবতা সামনে আসবে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সংঘর্ষের আগে ইরানের কাছে প্রায় ৪৪০ কেজি ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ছিল, যা আরও উন্নত করলে একাধিক পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি সম্ভব। যদিও এটি সরাসরি অস্ত্র নয়, তবে এটি ইরানকে একটি কৌশলগত সুবিধা দেয়।

 

 

মূল প্রশ্ন হলো, যুদ্ধবিরতি টিকবে কি না তা নয়, বরং এটি টিকলে কী ধরনের আঞ্চলিক ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। অঞ্চলটি হয় সীমিত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত স্থিতিশীলতার দিকে এগোতে পারে, নয়তো পুনঃপুন সংঘাত ও পারমাণবিক উত্তেজনার চক্রে আটকে যেতে পারে। পাকিস্তানের গুরুত্ব এখানেই যে, এটি ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা বোঝে। একতরফা দাবি বা শূন্য-সমপ্রতিযোগিতার মাধ্যমে স্থায়ী স্থিতিশীলতা গড়ে ওঠে না। এর জন্য দরকার এমন মধ্যস্থতাকারী, যারা বাস্তবতা বোঝে এবং সংলাপ চালিয়ে যেতে পারে। এ অর্থে পাকিস্তান শান্তি চাপিয়ে দিতে পারে না, তবে ভাঙন ঠেকাতে পারে। আঞ্চলিক অস্থিরতা ও বড় শক্তির রাজনীতির অভিজ্ঞতা তাকে এ ভূমিকার জন্য প্রস্তুত করেছে। অতএব, এ যুদ্ধবিরতি কোনো সমাপ্তি নয়, এটি একটি পরীক্ষা। ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তিগুলো কতটা দূরদর্শিতা দেখাতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় কতটা বিনিয়োগ করতে পারে তার ওপর।

 


মেজর জেনারেল (অব.) এইচআরএম রোকন উদ্দিন : নিরাপত্তা বিশ্লেষক