কল করুন

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স

সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনার গেম চেঞ্জার ডিজিটাল রূপান্তর

ড. তানভীর ফিত্তিন আবির [প্রকাশ: বণিক বার্তা, ৩০ মার্চ ২০২৬]

সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনার গেম চেঞ্জার ডিজিটাল রূপান্তর

বিশ্ব অর্থনীতিতে সাপ্লাই চেইন এখন কেবল পণ্য পরিবহনের প্রক্রিয়া নয়। এটি এমন কৌশলগত অবকাঠামো যা ভূরাজনীতি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।

 

 

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান সংঘাত এ বাস্তবতার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। এ সংঘাতের প্রভাব কেবল মধ্যপ্রাচ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা বাংলাদেশের মতো উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোকেও নানাভাবে প্রভাবিত করছে। অনেকে মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত পরিস্থিতি শুধু জ্বালানি তেলের সরবরাহ ঘাটতির মধ্যে সীমাবদ্ধ। অথচ বাস্তবে এটি এক ধরনের ‘রিপল এফেক্ট’ তৈরি করে যা ধাপে ধাপে সাপ্লাই চেইনে ছড়িয়ে পড়ে। এমনটি হলে শেষ পর্যন্ত ভোক্তার দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব পড়ে। জ্বালানি খাত থেকেই সাধারণত রিপল এফেক্টের জন্ম। এক্ষেত্রে সরাসরি সরবরাহ বিঘ্নিত না হলেও সম্ভাব্য ঝুঁকির আশঙ্কায় বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। তাই জ্বালানি তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে। আর তাতে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে, যা থেকে মুক্ত নয় বাংলাদেশও।

 
 
 
 
 
 

বাংলাদেশের জন্য বিষয়টি আরো জরুরি। দেশের প্রধান রফতানি খাত তৈরি পোশাক শিল্প ব্যাপকভাবে আমদানীকৃত কাঁচামালের ওপর নির্ভরশীল। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয় বাড়লে সরাসরি এ খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা প্রভাবিত হয়। একই সঙ্গে আমদানি ব্যয় বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার ওপরও চাপ তৈরি হয়। রিপল এফেক্টের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক চাহিদা-সরবরাহের ভারসাম্যহীনতা। সংকটের সময় মানুষ প্রায়ই ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার আশঙ্কায় অতিরিক্ত পণ্য কিনে মজুদ করতে শুরু করে। ফলে বাজারে হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যায়, যা সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরো চাপের মধ্যে ফেলে। এ পরিস্থিতি পণ্যের ঘাটতি এবং মূল্যবৃদ্ধিকে আরো ত্বরান্বিত করে। এ অবস্থায় বৈশ্বিক বাণিজ্য রুটেও পরিবর্তন আসতে পারে। জাহাজ চলাচলে বিলম্ব, বিকল্প রুট ব্যবহার এবং বন্দর জটিলতা পণ্য সরবরাহের সময় বাড়িয়ে দেয়। ফলে ব্যবসায়িক পরিকল্পনা ব্যাহত হয় এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে অতিরিক্ত মজুদ রাখতে বাধ্য হতে হয়, যা কার্যকর মূলধনের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। এ পুরো প্রক্রিয়ার প্রভাব এসে পড়ে সাধারণ ভোক্তার ওপর। খাদ্যপণ্য থেকে শুরু করে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিস—সবকিছুর দাম বাড়তে থাকে। ফলে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ে এবং নিম্ন ও মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

 

 

 

বাংলাদেশ একটি জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশ। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৭০ শতাংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে জ্বালানি পণ্য আমদানিতে ৮২০ কোটি ডলার খরচ করে। অথচ ২০২১-২২ অর্থবছরে এ ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৩৮ কোটি ডলার। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে তা সরাসরি দেশের আমদানি ব্যয় বাড়িয়ে দেয়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি প্রায় ৯-১০ শতাংশের মধ্যে অবস্থান করছে। অথচ খাদ্যমূল্যস্ফীতি অনেক ক্ষেত্রে ১০-১২ শতাংশ অতিক্রম করেছে। এ প্রবণতার পেছনে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা একটি প্রধান কারণ। বিশেষ করে জ্বালানি তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি সরাসরি পরিবহন ব্যয় বাড়ায়। এর প্রভাবে কাঁচামাল সংগ্রহ, উৎপাদন ও বিতরণ খরচ প্রভাবিত হয়। এভাবে সামগ্রিক অর্থনীতিতে এক ধরনের কস্ট পুশ ইনফ্লেশন তৈরি হয়। আইএমএফের ২০২৪ সালের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, জ্বালানি পণ্যের দাম ১০ শতাংশ হারে বাড়লে আমদানিনির্ভর অর্থনীতিতে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি প্রায় শূন্য দশমিক ৪ থেকে শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। এমনটি বাংলাদেশের জন্যও প্রাসঙ্গিক। জ্বালানি পণ্যের সরবরাহ কমলে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচও প্রভাবিত হয়। দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য দৈনিক প্রায় ১৫-২০ হাজার টন ফারনেস অয়েল প্রয়োজন হয়। আমদানীকৃত এলএনজির মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে ২৫-৩০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন করে সরবরাহ করা হয়। যখন জ্বালানি তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ে তখন সরকার বাধ্য হয়ে ভর্তুকি বাড়ায়, রেশনিং করে কিংবা বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয় করে। তাতে শিল্প খাত ও সাধারণ ভোক্তা উভয়ই প্রভাবিত হয়।

 

 

 

 

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবহন খরচ বেড়ে যায়। শিপিং, এয়ার কার্গো এবং সড়ক পরিবহন—সব ক্ষেত্রেই ব্যয় বৃদ্ধি পায়। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিশ্লেষণে দেখা যায়, জ্বালানি দামের ঊর্ধ্বগতি বৈশ্বিক ফ্রেইট রেট, শিপিং কস্ট এবং সামগ্রিক বাণিজ্য ব্যয়কে সরাসরি প্রভাবিত করে। বিশেষ করে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার সময় শিপিং লাইনগুলো অতিরিক্ত ঝুঁকি প্রিমিয়াম ও ফুয়েল সারচার্জ আরোপ করে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এ প্রভাব আরো তীব্র, কারণ দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রায় ৯০ শতাংশ সমুদ্রপথে সম্পন্ন হয়। চট্টগ্রাম বন্দর একাই দেশের মোট কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের প্রায় ৯২ শতাংশ পরিচালনা করে। এ বন্দরের ওপর উচ্চ নির্ভরতা এবং সীমিত বিকল্প লজিস্টিকস অবকাঠামো এ চাপকে আরো বাড়িয়ে তোলে। অভ্যন্তরীণ পরিবহন ব্যবস্থাও এর বাইরে নয়। জ্বালানির দাম বাড়লে ট্রাক ভাড়া, কনটেইনার পরিবহন খরচ এবং গুদামজাত ব্যয় বাড়ে। ফলে পণ্য উৎপাদন থেকে ভোক্তার কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে খরচ বাড়ে। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত চুক্তির কারণে অনেক সময় মূল্য বাড়ানো সম্ভব হয় না। ফলে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কম মার্জিনে ব্যবসা করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে উৎপাদন বিলম্বিত হয়, যা ডেলিভারি সময়সীমা লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি করে এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা কমাতে পারে। এসব প্রভাব শেষ পর্যন্ত ভোক্তার ওপর পড়ে।

 

 

 

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল জানিয়েছে, আমদানিনির্ভর অর্থনীতিতে জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি দ্রুত সাধারণ মূল্যস্তরে প্রতিফলিত হয়। ফলে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ে এবং নিম্ন ও মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একই সঙ্গে ব্যবসায়িক খরচ বাড়ায় অনেক প্রতিষ্ঠান পণ্যের মূল্য বাড়াতে বাধ্য হয়, যা সামগ্রিকভাবে অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির চাপ সৃষ্টি করে। অন্যদিকে অনিশ্চয়তার কারণে ভোক্তাদের আচরণেও পরিবর্তন আসে। আতঙ্কজনিত অতিরিক্ত কেনাকাটা বাজারে কৃত্রিম চাহিদা সৃষ্টি করে, যা সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরো চাপের মধ্যে ফেলে। এতে সাপ্লাই চেইনে দ্বিমুখী সংকট তৈরি হয়—একদিকে সরবরাহ কমে যায়, অন্যদিকে চাহিদা বেড়ে যায়। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য রুটেও প্রভাব ফেলে। জাহাজ চলাচলে বিলম্ব, রুট পরিবর্তন, বন্দর জট এবং নিরাপত্তাজনিত বিধিনিষেধ পণ্য সরবরাহের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়। বাংলাদেশের বন্দর অবকাঠামো এরই মধ্যে উচ্চ চাপের মধ্যে রয়েছে। অতিরিক্ত জাহাজ আগমন, কনটেইনার হ্যান্ডলিং সীমাবদ্ধতা এবং অভ্যন্তরীণ পরিবহন জটিলতা সরবরাহ চেইনের দক্ষতাকে সীমিত করে। এর সঙ্গে বৈশ্বিক লজিস্টিকস বিঘ্ন যুক্ত হলে লিড টাইম আরো অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপত্তাজনিত কারণে অতিরিক্ত ইনভেন্টরি রাখতে হয়, যা কার্যকর মূলধনের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে এবং ব্যবসার খরচ বাড়ায়।

 

 

 

বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক খাত। এ খাত দেশের মোট রফতানি আয়ের ৮০ শতাংশেরও বেশি অবদান রাখে। তাছাড়া জীবিকা নির্বাহের জন্য প্রায় ৪০ লাখেরও বেশি শ্রমিক এ খাতের ওপর নির্ভরশীল। খাতটি ব্যাপকভাবে আমদানীকৃত সুতা, কাপড়, রাসায়নিক এবং অন্যান্য কাঁচামালের ওপর নির্ভরশীল। যখনই এ খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ে তখন এর প্রভাব শ্রমিকদের সামগ্রিক জীবনেও পড়ে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) জন্যও এ পরিস্থিতি বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো তুলনামূলকভাবে এ ধরনের সংকট মোকাবেলার জন্য বিকল্প সরবরাহ উৎস, আর্থিক সক্ষমতা এবং কৌশলগত পরিকল্পনা রাখতে পারে। কিন্তু এসএমইর ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভিন্ন। তাদের পক্ষে অতিরিক্ত ইনভেন্টরি রাখা, উচ্চ পরিবহন ব্যয় বহন করা বা সরবরাহ উৎস বৈচিত্র্যকরণ করা সহজ নয়। ফলে দীর্ঘস্থায়ী সংকট তাদের ব্যবসায়িক টিকে থাকার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।

 

 

 

বর্তমান বিশ্বে সাপ্লাই চেইন একটি জটিল, আন্তঃনির্ভরশীল এবং অত্যন্ত সংবেদনশীল ব্যবস্থা। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার মতো একটি আঞ্চলিক ঘটনা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বহুমাত্রিক প্রভাব ফেলতে পারে, যার প্রতিফলন বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও স্পষ্টভাবে দেখা যায়। এমন পরিস্থিতিতে ডিজিটাল রূপান্তর সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনায় একটি গেম-চেঞ্জার হিসেবে কাজ করতে পারে। ডিজিটাল সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনা, ডেটা অ্যানালিটিকস এবং রিয়েল-টাইম মনিটরিং ব্যবহারের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ উন্নত করতে হবে। এজন্য সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনায় ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি বিশ্লেষণ করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এভাবে আগাম প্রস্তুতি নেয়া যাবে। জ্বালানি পণ্য ও কাঁচামাল আমদানির উৎস বৈচিত্র্যকরণ করতে হবে। একক অঞ্চলের ওপর আমদানিনির্ভরতা কমানোই এখন বাস্তবসম্মত। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো অবকাঠামোগত উন্নয়ন। বন্দর, রেল, সড়ক এবং নৌপথের সমন্বিত উন্নয়ন ছাড়া একটি কার্যকর সাপ্লাই চেইন গড়ে তোলা সম্ভব নয়। চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প বন্দর ও লজিস্টিকস করিডোর উন্নয়ন করা জরুরি। একই সঙ্গে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, এলএনজি উৎস বৈচিত্র্যকরণ এবং কৌশলগত জ্বালানি মজুদ গড়ে তোলা ভবিষ্যতের ঝুঁকি মোকাবেলায় সহায়ক হতে পারে। এছাড়া স্থানীয় শিল্প ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে কৌশলগত মজুদ বাড়াতে হবে। পাশাপাশি আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় উৎপাদন বাড়ানো গেলে বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাব অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে।

 

 

 

সবশেষে বলা যায়, বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনের এ পরিবর্তিত বাস্তবতায় সফল হতে হলে শুধু অর্থনৈতিক দক্ষতা নয়, বরং কৌশলগত দূরদৃষ্টি এবং সমন্বিত নীতিমালার প্রয়োজন। কারণ ভবিষ্যতের বিশ্বে প্রতিযোগিতা শুধু পণ্যের দামে নয়, বরং সাপ্লাই চেইনের স্থিতিস্থাপকতা, দ্রুততা ও অভিযোজন ক্ষমতার ওপর নির্ভর করবে। বাংলাদেশ যদি এখনই এ দিকগুলোয় বিনিয়োগ ও পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারে, তবে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও একটি শক্তিশালী ও টেকসই অর্থনৈতিক অবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

 

 

 

ড. তানভীর ফিত্তিন আবির: অধ্যাপক ও ক্যাম্পাস ডিরেক্টর, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, রাস আল খাইমাহ ক্যাম্পাস, সংযুক্ত আরব আমিরাত