স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছে ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান
[প্রকাশিত: জনকণ্ঠ, ৬ মার্চ ২০২৬]

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ বছর ২০ জন ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-কে মরণোত্তর এই সম্মাননায় ভূষিত করা হচ্ছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হাতে এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, নারী শিক্ষা ও দেশগঠনে সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ খালেদা জিয়াকে এ বছর স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
এ ছাড়া বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য আরও ১৪ জন ব্যক্তিকে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম, সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে হানিফ সংকেত ও বশির আহমেদ (মরণোত্তর) মনোনীত হয়েছেন।
ক্রীড়া ক্ষেত্রে জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজসেবা ও জনসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক ও মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর) পুরস্কার পাচ্ছেন।
গবেষণা ও প্রশিক্ষণ খাতে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম এবং অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া মনোনীত হয়েছেন। পরিবেশ সংরক্ষণে অবদানের জন্য আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) এই সম্মাননা পাচ্ছেন।
এবার পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকেও স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতিতে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এবং সমাজসেবা ও জনকল্যাণে এস ও এস চিলড্রেন্স ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র পুরস্কার পাচ্ছে।
উল্লেখ্য, দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা হিসেবে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রতিবছর জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে প্রদান করা হয়।