তিস্তার পানি কূটনীতি এবং ভূ-রাজনীতি
ড. মাহবুব হাসান [সূত্র : দেশ রূপান্তর; ০৮ মে, ২০২৬]

ওপার বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেসকে হটিয়ে ক্ষমতায় এসেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গে কে মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন (শুভেন্দু না শমীক) তা নিয়ে জল্পনা চলছে। এই জল্পনার ফাঁক দিয়ে একটি আশার আলো দেখতে পাচ্ছে বাংলাদেশের মানুষ। গত পনেরো বছর ধরে এই ধারণা সৃষ্টি হয়েছে যে, তিস্তা নদীর পানিবণ্টন নিয়ে প্রধান বাধা মমতা ব্যানার্জি। পানিবণ্টনে মমতার সই-স্বাক্ষর লাগবে। এটা ওই দেশের সাংবিধানিক অধিকারের বিষয়। ড. মনমোহন সিং ও নরেন্দ্র মোদির সময়, দুবারই দিদি বেঁকে বসলেন তিনি চুক্তিতে রাজি নন। টনকে টন ইলিশ পাঠিয়েও, মমতার মন জয় করতে পারেনি বিগত শেখ হাসিনা সরকার।
দিদি তার মালদা, উত্তর দিনাজপুরসহ ওই অঞ্চলের জেলাগুলোর কৃষিতে জল ঢালার জন্যই যেন কালিম্পংয়ের গজলডোবায় তিস্তা বাঁধ তৈরি করেছে ভারত সরকার! সেখানে একমাইল দীর্ঘ বাঁধ ও জলাধার করে তারা সেই সুবিধা নিচ্ছে ১৯৯৬ সাল থেকে। ওই প্রকল্পটি শেষ হয়েছে কয়েক বছর হলো। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলো জল পায়নি, তবে দিদির খায়েশ মিটিয়েছেন। এবার তাকে লাল কার্ড দেখিয়ে দিয়েছে তারা। খোদ তার নির্বাচনী এলাকা ভবানীগঞ্জেও তিনি হেরেছেন। তো, এবার তো দিদি আউট হলেন। মঞ্চে ইন করেছে স্বয়ং নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি।
হিন্দুত্ববাদী ট্রাম্পকার্ড খেলা চলছে বহুকাল ধরে। এর সফলতা আমরা দেখতেও পাচ্ছি। ইতিমধ্যে ভারতের ৭২ শতাংশ ভূমি বিজেপির দখলে। বাকি অংশে যারা ক্ষমতায় আছেন তারা রাজনৈতিক আদর্শে ভিন্ন দলের হলেও, জাতিসত্তা ও কালচারে হিন্দু (হিন্দুকুশ পর্বতমালার পূর্বপাশের জনগণ)। বাম-দুর্গ বলে খ্যাত ও শাসিত পশ্চিমবঙ্গেও যখন বিজেপি ক্ষমতায় এলো, তখন অন্য রাজগুলো ওই ধারায় আসতে কি খুব একটা দেরি হবে? দিদি আউট হলেও তিস্তার জলকপাট খুলবে, এমনটি জোর দিয়ে বলা যাবে না। জলকূটনীতি যে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক রাজনীতির ভূমি স্তর, সেটা আমরা মনে রাখি না। এর কারণ, আমরা দেশ নিয়ে তেমন সুভাবনায় জড়িত নই। ভাবি, এটা সরকারের কাজ। আমরা শুধু সুবিধাভোগী। কিন্তু তিস্তার পানি থেকে যখন আমরা বঞ্চিত হই; উত্তরবঙ্গের ২ কোটি মানুষের গলা শুকিয়ে গেলেও, আমাদের গলা শুকায় না, এমনকি তা চোখেও পড়ে না। কারণ সরাসরি আমরা তিস্তার পানির অভাবের শিকার নই। দেশপ্রেমিক যারা, তাদের গলা কিন্তু শুকিয়ে যায়। তারা তখন প্রতিবেশীকে সৎ ও যোগ্য বলে মনে করে না। আন্তঃদেশীয় নদীর পানির হিস্যা আমরা পাব, আন্তর্জাতিক এই আইনি-নীতির ব্যত্যয় হয়নি। ব্যত্যয় হয় তখন, যখন ভাটির দেশকে তার ন্যায্য পাওনা না দেওয়া হয়।
২০১১ সালে তিস্তার পানিবণ্টনের একটি পাকা কাঠামো সৃজন করেছিলেন, ভারত ও বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞরা। তখন ভারতে ড. মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী আর বাংলাদেশে শেখ হাসিনা। সেই পরিকল্পিত কাঠামোটি হালে জল পায়নি মমতা ব্যানার্জির ‘না’-এর কারণে। এরপর নরেন্দ্র মোদিও চেষ্টা করেন চুক্তি সই-স্বাক্ষর করতে। বাধা হয়ে দাঁড়ান মমতা। চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে না কোনো পক্ষই। জলকূটনীতি উঠে আসে রাজনৈতিক পরিপ্রেক্ষিতে। বাংলাদেশ চায় তিস্তার পানির সর্বোচ্চ ব্যবহার ও বর্ষা মৌসুমে গজলডোবা থেকে জল ছেড়ে দিয়ে আমাদের ডুবিয়ে মারার পরিকল্পনার অবসান। চীনের সঙ্গে আলোচনা করে নেওয়া হয় তিস্তা মহাপরিকল্পনা। ৮ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প। চীনারা প্রকল্প প্রস্তাবের জায়গায় সমীক্ষা চালায়। তারা রাজি হলেও, নতুন ফেনোমেনা দেখা দেয়। ভারত তার জলপাইগুড়ির চিকেন নেকের এত কাছে চীনকে আসতে দিতে রাজি নয়। শত্রুদেশ ভারতকে এই প্রকল্প দিতে তারা কূটনৈতিক চাপ দেয় বাংলাদেশের ওপর।
সেই সঙ্গে সাংস্কৃতিক চাপ দিচ্ছিলেন এদেশের ভারতপ্রেমীরা। ২০২৪-এ এসে নরেন্দ্র মোদি কৌশলগত কারণে, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে অর্থায়নের কথা জানান। কিন্তু ওই পর্যন্তই। ওটা যে একটি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপ, তা আমাদের সরকার বুঝলেও, তারা চুপ করে থাকেন। হাসিনার পতনের পর, ড. মুহাম্মদ ইউনূস ওই পরিকল্পনাটিতে চীনের অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহযোগ চান। চীন তাতে রাজি হয়। এ-নিয়ে বেশ উদ্বেগে ছিল ভারত। হাসিনার পতনের পর তারেক রহমানও চীন সফরে যাবেন, তাকে নিয়েও উদ্বেগে আছে দিল্লি।
২. বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ৬০ কিলোমিটার উজানে ভারত সরকার ১৯৯৬ সালে তিস্তা নদীর ওপর গজলডোবা বাঁধ নির্মাণ সম্পন্ন করে। এই বাঁওধর মাধ্যমে তিস্তার পানি মহানন্দা নদী দিয়ে প্রবাহিত হয়ে অসংখ্য খালের মাধ্যমে জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, কোচবিহার ও মালদহ জেলায় পানি সরবরাহ করে কৃষি উৎপাদনে ব্যবহার করা হয়। তিস্তার উৎপত্তি সিকিমে। সেখান থেকে পশ্চিমবঙ্গ হয়ে এই প্রবাহ বাংলাদেশে ঢোকে লালমনিরহাট জেলা দিয়ে। জেলার ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারেজ নির্মাণ শুরু হয় ১৯৭৯ সালে। সেখানকার কৃষিকে উৎপাদনের শিরে আনতে ওই প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল অনেক আগেই। এর মধ্যেই তিস্তা বাঁধের ভাটিতে চর পড়েছে। পানি না থাকায় প্রকল্প থুবড়ে পড়েছে বলা যেতে পারে। তিস্তা বাঁধ হয়ে উঠেছে ২ কোটি মানুষের জীবন-জীবিকার মরণফাঁদ। শুকনো মৌসুমে তারা খরাক্রান্ত হয়, আর বর্ষার সময় পানিতে ডোবে তাদের সহায়-সম্পদ। এই অবস্থার জন্য মূলত দায়ী ভারত।
৩. সম্প্রতি বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং, নীলফামারী ও লালমনিরহাটের ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজ ও তিস্তার অববাহিকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেখানে উপস্থিত স্থানীয় জনতাকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত আলোর মুখ দেখবে। চীনের প্রতিষ্ঠান চায়না পাওয়ার ও চায়না রিভার ইয়েলো, দুই বছর ধরে মাঠপর্যায়ে সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে তিস্তা মহাপরিকল্পনার ডিজাইন সম্পন্ন করেছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা। এই মহাপরিকল্পনার মুখ্য কাজ হচ্ছে নদী খনন, বাঁধ মেরামত, বাঁধ নির্মাণ এবং জমি পুনরুদ্ধার। নদীর দুই পাড়ে ২২০ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ করে রিভার ড্রাইভ তৈরি করা হবে। তিস্তার উভয় তীরে বনায়নের পরিকল্পনা ছাড়াও স্থাপন করা হবে ১৫০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্পকারখানা, ইপিজেড ও ইকোনমিক জোন। মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে তিস্তার দুই পাড়ে স্যাটেলাইট শহর গড়ে তোলার কথাও ভাবা হচ্ছে। যেখানে থাকবে হোটেল-মোটেল-রেস্তোরাঁ ও পর্যটনকেন্দ্র। পর্যটক ও স্থানীয় লোকের চলাচল এবং ব্যবসায়ীদের পণ্য পরিবহনের সুবিধার্থে, চিলমারী বন্দর থেকে ডালিয়ায় তিস্তার বাঁধ অংশে তিনটি নৌ-টার্মিনালও তৈরি করা হবে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ভাটি থেকে তিস্তা-যমুনার মিলনস্থল পর্যন্ত নদীর বর্তমান প্রস্থ কমিয়ে ৭০০ থেকে ১০০০ মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা হবে এবং নদীর গভীরতা বাড়িয়ে ১০ মিটার করা হবে। তিস্তার বর্তমান প্রস্থ স্থানভেদে পাঁচ হাজার মিটারেরও অধিক। শুকনো মৌসুমে পানির প্রবাহ অক্ষুণœ রাখতে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ভাটিতে জলাধার নির্মাণ করা হবে। এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন সম্ভব হলে রংপুর, লালমনিরহাট, নীলফামারী, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাবে এবং তিস্তাপাড়ের মানুষের জীবনমান কিছুটা হলেও সমৃদ্ধ হবে। পরিকল্পনা গ্রহণ আর তার বাস্তবায়নের মধ্যে ফারাক কত মাইল? কেউ বলতে পারেন না।
২০১১ সালে নেওয়া তিস্তার পানিবণ্টনের কাঠামো পরিকল্পনা ১৫ বছরের চুক্তির কথা ছিল। সেই ১৫ বছর তো গত হলো, চুক্তি হয়নি। এখন যে আশার আলোটি পদ্ম মার্কা দেখাচ্ছে কিংবা আমরা দেখছি, সেই আশায় গুড়েবালি পড়বে বলে মনে হচ্ছে। গত বুধবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান চীন সফরে গেছেন। যাওয়ার সময় বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা অবশ্যই হবে। আর এখানেই বড় গোলমাল। পানি-কূটনীতি গিয়ে ঠেকছে ভূ-রাজনীতির দোরগোড়ায়। জলপাইগুড়িতে যে চিকেন নেক, মানে সরু জায়গাটি, তা নীলফামারী থেকে বেশি দূরে নয়। চীন যদি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে নামে, তাহলে ভূ-রাজনীতির দুই পরাশক্তি ভারত ও চীন মুখোমুখি হবে। নিরাপত্তার প্রশ্নটি তুলবেই ভারত, এতে কোনো সন্দেহ নেই। এটা ভারত হতে দিতে চায় না। স্ট্র্যাটেজিক কারণেই তা চাইবে না। চিকেন নেকের ওই সরু অংশ যদি দখল করে নেয় চীন, তাহলে উত্তর-পূর্ব ভারতের ৭ রাজ্যই হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমনিতেই স্বাধীনতার জন্য লড়াই করছে মিজোরামসহ অনেক উপজাতিগোষ্ঠী। এই ভয়ের কারণেই চিকেন নেকের অতি-কাছে, তিস্তা প্রকল্পে ভারতও বিনিযোগের দুর্বল প্রস্তাব দিয়ে রেখেছে। হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে এত দিনে ওই পরিকল্পনা ভারতের হাতে যেত। এখনো যেতে পারে। তারেক রহমানের সরকার যদি এটা মনে করে যে, ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক তার দেশের জন্য ভালো হবে, তাহলে সেখানে যেতে পারেন। কিন্তু তার চীনে সরকারি সফরের মাধ্যমে এটাই প্রমাণ হয় যে, তিস্তা মহাপরিকল্পনা চীনের হাতেই যাবে। তারা দুই বছর খেটে সমীক্ষা করেছে। ডিজাইন করেছে। সেই পরিকল্পনা একটি ভালো উদ্যোগ বিবেচনা করা যেতে পারে। এই দুই দেশের মাঝখানে ছোট বাংলাদেশ। তারপরও নিজেদের কথা, সবার আগে ভাবতে হবে। সবার আগে বাংলাদেশ, এই সেøাগানের মূল থিম হচ্ছে দেশপ্রেম, আত্মমর্যাদা আর সার্বভৌমত্ব রক্ষা। আমাদের মনে রাখতে হবে, আমাদের স্বার্থ আগে দেখতে হবে। চীনকে এই প্রকল্প দিয়ে ভারতের রোষে পড়তে চাই না আমরা। উভয় দেশই নিজ নিজ স্বার্থে ও দেশপ্রেমে অনড়। এই শত্রু মনোভাবাপন্ন দেশ দুটি কিন্তু বাণিজ্য বন্ধ করেনি। বছরে চীনের সঙ্গে ভারতের ১৬৫ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য চলছে। এখানে ভারত পিছিয়ে পড়েছে একশ বিলিয়ন ডলারে। বাণিজ্যে চীন আগ্রাসী, ভারতও। শুধু আমরা আগ্রাসী নই। ফলে আমাদের পণ্য বিক্রির ক্ষেত্র কম। পৃথিবীর হেন কোনো দেশ নেই যে দেশে চীন ও ভারত তার পণ্য সরবরাহ করে না। আমাদের সেই পথ নিতে হবে। বাণিজ্যের ব্যাপারে চীন-ভারতের মধ্যে অটুট বন্ধুত্ব। এখানে কোনো বিরোধ নেই।
৪. তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের পাশে আমরা আরও কিছু প্রকল্প চীনের সঙ্গে করতে চাই। আমাদের সরকারপ্রধান তারেক রহমান বলেছেন, রেল যোগাযোগ গড়ে তুলবেন দেশজুড়ে। গণযোগাযোগে রেলের মতো সাশ্রয়ী মূল্যে আর আরামদায়ক ভ্রমণ আর কী হতে পারে? ছোট দেশ, ছোট অর্থনীতি আমাদের। তারপরও অগ্রযাত্রা তো থেমে নেই। আমরা সামনের দিকেই তাকিয়ে আছি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দেশের ৮ জেলার বিমানবন্দরগুলো সংস্কার ও উন্নয়নের মাধ্যমে চালু করতে চান। এই দুই সেক্টরে চীনের কারিগরি ও প্রাযুক্তিক সহযোগ অর্থবহ করে তুলতে পারে। রেল যোগাযোগে চীনের বুলেট ট্রেনের সাফল্য ইর্ষণীয়। রেল রোড নির্মাণেও তাদের অনন্য কৃতিত্ব রয়েছে। যদি ৬৪ জেলাকে এই রেল পরিকল্পনার আওতায় আনা যায়, তাহলে তা হবে সবচেয়ে ভালো উদ্যোগের একটি। জ্বালানি সংকটের এই যুগে, যখন জীবাশ্ম জ্বালানি নিঃশেষ হওয়ার পথে, তখন বিকল্প হিসেবে ইলেকট্রনিক রেল যোগাযোগ অভাবনীয় উদ্যোগ হবে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে সোলার প্যানেলসহ অন্যান্য মাধ্যমেরও বিকাশ সাধন করতে হবে। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ তখনই আমাদের একান্ত বলে মনে হবে যখন ‘সব হবে’ শব্দগুলো ‘হচ্ছে’ ও ‘হয়েছে’ বলে আমরা লিখতে পারব। আমরা কি সে আশা করতে পারি না?
লেখক: কবি ও সাংবাদিক