
জেনারেশন জেড বর্তমান বিশ্বে বহুল আলোচিত একটি শব্দ। মূলত ২০১০-এর শুরুর দিকে জন্ম নেওয়া শিশুরা এই প্রজন্মের অন্তর্ভুক্ত, যারা ‘জেনারেশন জি’ নামেও পরিচিত। বর্তমান বিশ্বের সমগ্র জনসংখ্যার প্রায় ২৬ শতাংশ এই প্রজন্মের অংশ। এরাই সমাজের অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিকসহ সমস্ত জায়গায় নিজেদের চিন্তার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে পূর্ববর্তী প্রজন্মের স্থলাভিষিক্ত হওয়া শুরু করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে শ্রমবাজারের প্রবেশ স্তরসহ সমাজের সব স্তরে জেনারেশন জেড নিজেদের অবস্থান পাকাপোক্ত করবে। বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই প্রজন্মকে নিয়ে নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই। কারণ তারাই বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বাধীনতার কারিগর। তাই আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর জেনারেশন জেড সম্পর্কে সাধারণের জানার আগ্রহ, তাদের স্বতন্ত্র চিন্তাভাবনা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পটভূমিতে আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

